Monday, May 22, 2017

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে এক যুবকের আত্মহত্যার

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে গলায় ফাঁস দিয়ে এক যুবকের আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে । আত্মহত্যাকারী যুবক নাচোল উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভেরেন্ডী গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে রিপন(২৭)। নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ ফাছির উদ্দিন জানান, সোমবার দুপুরে রিপন নিজ বাড়ির দোতলায় ঘরের তীরের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। দুপুরে তার মা খাবার খাওয়ানোর জন্য দোতালায় গিয়ে ছেলের ঝুলন্ত লাশ দেখে চিৎকার করতে থাকেন। পুলিশ জানায় রিপন দীর্ঘদিন থেকে মানসিক রোগে ভূগছিলেন 

Thursday, May 4, 2017

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ফারিহা লাবণ্য এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে এ নিয়ে তার বাবা মা অনেক সপ্ন।

তার বাবা বলেন ; আমাদের আদরের মা মনি জেবা ফারিহা লাবণ্য এবারের এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে। ও রাজশাহীর হেলেনাবাদ স্কুলের ছাএী। ওর জন্য আপনারা দোয়া করবেন। ওকে আমরা ডাক্তার হিসাবে মানুষের সবায় নিয়োজিত দেখতে চাই।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ১৫৪ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

নাচোলে জিপিএ-৫
পেয়েছে ১৫৪ জন শিক্ষার্থী

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ১৫৪ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। চলতি বছর নাচোলে ১৯টি বিদ্যালয়ের ১০৩৮ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৯৫৯ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। শতভাগ পাস করেছে নাচোল খুরশেদ মোল্লা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, সোনাইচ-ী উচ্চ বিদ্যালয় ও এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ। জিপিএ-৫ শীর্ষে রয়েছে এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ। ১১২ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে নাচোল খুরশেদ মোল্লা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়। ৯৪ জনের মধ্যে ২৯ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। তৃতীয় স্থানে পীরপুর উচ্চ বিদ্যালয়। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৪ শিক্ষার্থী।
এছাড়া সোনাইচ-ী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯ জন, মুন্সী হযরত আলী উচ্চ বিদ্যালয় ৯, মাক্তাপুর উচ্চ বিদ্যালয় ৫, নাচোল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ৫, নেজামপুর উচ্চ বিদ্যালয় ৪, গোলাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় ৩, কানপাড়া কাজলা উচ্চ বিদ্যালয় ২, ভেরেন্ডী উচ্চ বিদ্যালয় ২, নাসিরবাদ উচ্চ বিদ্যালয় ১ ও মাধবপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ১৩২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে ৭৭ জন কৃতকার্য হয়েছে । তবে কোন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি বলে জানাগেছে।

Monday, May 1, 2017

দৈনন্দিন বাস্তবতাই যে শুধু আমাদের ভিন্নতা। আর এই ভিন্নতার মাঝে আমাদের কাজ ও লক্ষ্য দিন জুড়ে আর দিন শেষে একই। আমাদের গল্প জানতে দেখুন

দৈনন্দিন বাস্তবতাই যে শুধু আমাদের ভিন্নতা। আর এই ভিন্নতার মাঝে আমাদের কাজ ও লক্ষ্য দিন জুড়ে আর দিন শেষে একই। আমাদের গল্প জানতে দেখুন:

বাংলাদেশি গার্মেন্টস শ্রমিকদের জীবন কাহানি

"এই যে গেঞ্জিটা দেখছেন, এইটা আমার বউ আমাকে দিয়েছে। পেশায় আমি মেকানিক হতে পারি, তার  কাছে আমিই দুনিয়ার সবচেয়ে বড় ইঞ্জিনিয়ার। কাজ শেষ করে বাসায় যাওয়ার পর আমি একটা ইলেক্ট্রিক দোকানে কাজ করি। টুকটাক মেরামত, বৈদ্যুতিক কাজ করতে পারি। মাঝে মাঝে প্রতিবেশীদের কাজও করে দেই। আমাদের দিন আনি, দিন খাই সংসারে এই আলাদা উপার্জনগুলো খুব কাজে লাগে। বেতনের টাকা থেকে বউ’কে কখনোই কোন হাতখরচ দিতে পারিনা। ইচ্ছা থাকলেও উপায় থাকে না। তাই এইসব ছোটখাটো উপার্জনের পুরো টাকাটাই বউয়ের হাতে তুলে দেই। তখন যে সে কি খুশি হয়! এইরকম টাকা জমিয়েই ও আমাকে এই গেঞ্জিটা কিনে দিয়েছে। দাম কত আমি জানিনা, কিন্তু এই উপহারের সাথে ওর যে ভালোবাসা জড়িয়ে আছে তা কোন মূল্যেই পরিমাপ করা যাবেনা। কিন্তু এখন আমি ওকে এমন হুটহাট খরচ করতে মানা করেছি। নিজেও কম গুরুত্বপূর্ণ খরচগুলো বাদ দিচ্ছি। কারণ কিছুদিন পরেই আমাদের সংসারে আরেকজন আসতে চলেছে। ওর জন্য আমি অনেক কিছু পরিকল্পনা করে রেখেছি। আমি হতে না পারলেও ওকে আমি সত্যিই ইঞ্জিনিয়ার বানাতে চাই। আর আমার বউয়ের পরিচয় হবে সত্যিকারের “ইঞ্জিনিয়ারের মা”।" - তৈরি পোশাক কারখানার একজন মেকানিক।

---বাংলাদেশি গার্মেন্টস শ্রমিকদের জীবন কাহানি

"My wife bought this t-shirt for me. I might be a mechanic by profession, but to her, I am the best engineer in the world! I work in an electric workshop after I am done here. I have learned to do a bit of electric repairing. Sometimes, I do this for my neighbors to earn a little extra. The extra money makes running our family a little easier. As much as I’d love to, it’s almost impossible for me to provide my wife with some extra allowance with the little that I earn. So, I give hall of whatever extra money comes out of these repair jobs. It makes her so happy! She saved up from that to buy this t-shirt for me. I don’t know how much it cost, but her lovely gesture is priceless! But, I’ve recently asked her  to refrain from these unnecessary spending. I am reducing such expenditure as well. Because, we are expecting a new addition to our family soon. I have so many plans! I want to make him an engineer so that my wife can finally become “an engineer’s mom”." - Mechanic at a ready made garments factory.

#MadeInEQUALITY #RMGsector #Bangladesh
Please share your thoughts about Made In Equality: http://bit.ly/MiEreview

Bangladesh Express News

“আমার ভাই নেই, তিন বোন আমরা। ছোটবেলায় যখন গ্রামে থাকতাম সবসময় আমার আব্বা-আম্মাকে অপমান করতো সবাই। ভাই না থাকাটা কেন অপরাধ সেটা সে সময় কোনভাবেই বোধগম্য হয়নি। অনেকদিন ভাবতাম হয়তো আমাদেরই কোন ভুল আছে না হয় সবাই আমাদের এভাবে হেয় করবে কেন? সেই অমূলক প্রশ্নের উত্তর কখনো খুঁজে পাইনি, এখন আর পেতেও চাইনা। কারণ প্রশ্নের উত্তর না পেলেও অনেক বড় কিছুই ইতোমধ্যেই আমি পেয়ে গেছি। কেউ এখন আর প্রশ্ন করে না যে কেন আমাদের ভাই নেই। আমি এই গার্মেন্টসের অপারেটর, আমার ছোটবোন কলেজে পরে আর সবচেয়ে ছোট বোনটা পড়ে স্কুলে, ক্লাস সিক্সে। বাবা-মায়েরও কষ্ট নেই। আমার বেতন আর ছোটবোনের টিউশনির টাকায় ভালোই আছি। সবচেয়ে বড় কথা কি জানেন? এই কারখানায় এতো মানুষের মাঝে আমিই “সেরা অপারেটর” এর পদক পেয়েছি এই বছর। এইখানে কেউ আমাকে মেয়ে হিসেবে দেখেনা, মানুষ হিসেবে দেখে। এই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি এখন পর্যন্ত।” - একটি তৈরি পোএকটি তৈরি পোশাক কারখানার “সেরা অপারেটর” খেতাবপ্রাপ্ত অপারেটরশাক কারখানার “সেরা অপারেটর” খেতাবপ্রাপ্ত অপারেটর

---Bangladesh Express News

“I do not have a brother; just two sisters. Back in my village, when we were younger, everybody used to insult and undermine my parents because of this. Back then, I could not decipher how not having a brother or a son in the family is a crime to the society. I used to believe that we were at fault, or else why would everyone around us dislike us so much? Neither could I ever discover the answer to that baseless question, nor do I want to know it anymore, as I have found answer to something bigger and more valuable. Nobody questions me about not having a brother now. I am currently employed as an operator in this garment factory. My immediate younger sister is studying in college and the youngest one is attending school, grade six. My parents have no hardships or regrets because the income from my salary and my sister’s tuition handles our household very smoothly. Moreover, do you know the best part of it all? Amongst all the employees in this factory, I having been awarded as the best operator this year. Nobody here cares about the fact that I am a girl, they see me solely as a human being and I consider this as one of the biggest achievement in my life so far.” - An employee titled as the “Best-Operator” in a garment factory.

Sunday, April 30, 2017

“আমার স্বামী একটু অস্বাভাবিক মানুষ

“আমার স্বামী একটু অস্বাভাবিক মানুষ। জন্ম থেকেই কথা বলতে কষ্ট হয়, সাধারণ মানুষের মত হাঁটতেও পারেন না। মাঝে মাঝে একদম শিশুর মতো ব্যবহার করেন। আমাদের বিয়ের কত বছর হলো সেই খবর রাখিনি, তবে বছর পনের’র কম হয়নি মনে হয়।

অনেক বছর আগে কোন এক বৈশাখ মাসে আমার সৎ মা টাকার লোভে আমার বিয়ে দেয় আমার স্বামীর কাছে। আমার শ্বশুরবাড়ি গ্রামে বেশ অবস্থাপন্ন এক পরিবার ছিলো। সেই লোভেই আমার সৎ মা জোর করেই আমাকে সেই বাড়িতে বউ করে পাঠালো। বিয়ের রাতেই আমার স্বামী চমকে উঠলো নতুন একটা মানুষ’কে তার সাথে দেখে। সে কী চিৎকার চেঁচামেচি! শেষ পর্যন্ত বাড়ির সবাই মিলে তাকে বেঁধে রাখলো। আর আমি কাঁপতে কাঁপতে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলাম। সেই ছিলো আমার সাথে তার প্রথম দেখা, প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা। এরপর কিছুদিন আমি ভয়ের তাড়নায় জ্বরে ভুগি। জ্বরের ঘোরে একদিন অনুভব করি, এক জোড়া হাত আনাড়ি হাতে চেষ্টা করছে আমার মাথায় জলপট্টি দেবার, মাথায় হাত বুলিয়ে দেবার। ঠিক সেদিন আমি মনে মনে আল্লাহ’কে ধন্যবাদ দেই কারণ মানুষটা শারীরিকভাবে অস্বাভাবিক হতে পারে, কিন্তু মানসিকভাবে আর দশটা মানুষের চাইতে হাজারো গুণ ভালো।

জীবনে অনেক প্রতারিত হয়েছি।  শ্বশুরের মৃত্যুর পর তার ভাইবোনের প্রতারণা করে সবকিছু থেকে আমাদের বঞ্চিত করেছে। সব হারিয়ে তাকে নিয়ে আমি শহরে আসি। এইখানে কাজ করি, সারাক্ষণ খুব ভয় হয় সে কী করছে, কীভাবে থাকছে। তবে এখন মনে হয় সেও বুঝে গেছে আমাদের জীবনধারা। তাই আমাকে এখন আর আগের মতো বিরক্ত করেনা। আমাদের কোন সন্তান নেই। তবে এই নিয়েও আক্ষেপ হয়না এখন আর! সবার জীবনে তো আর সবকিছু হয় না!” - একটি তৈরি পোশাক কারখানার কর্মী।

---

“My husband is special. Ever since he was born, he could not walk or talk properly. Sometimes, he can be very childish too. I am not sure how long we have been married, but I'm sure it has been no less than 15 years.

My greedy step-mother married me off to him. My in-laws were quite rich in the village and my mother sent me away to them as a bride. On the very first night of our wedding, my husband panicked to see a new person with him. Such chaos followed that night! All his family members had to tie him up with a rope to stop his madness. I passed out in fear as I saw all these. That was our first encounter. I ran a high fever the next few days because. While I was lying down with a burning fever, I felt an inexpert hand caressing my forehead with a wet cloth and nursing me. I thanked Allah at that moment. I thanked God because I was well treated by a physically challenged man who was more humane than all the other able people in the world around me.

I have been deceived many times in life. After my father-in-law’s death, my brother and sister-in-laws took away all the property for themselves. I took my husband with me and came to this city. I have been working here ever since. I only worry about him. I wonder what he is doing at home and how he is. Now he has understood our flow of life in the city. That is why he does not bother me as much anymore. We do not have any children. However, it still does not affect me anymore. Not everyone is destined to have everything in life.” - Employee at a garment factory

#MadeInEQUALITY #RMGsector #Bangladesh
Please share your thoughts about Made In Equality: http://bit.ly/MiEreview